আন্ড্রয়েড ফোনের খুঁটিনাটি সকল বিষয়াবলী

 আন্ড্রয়েড ফোনের সাধারন কিছু বিষয়াবলী












১। 



প্রথম যে টপিক সেটা হচ্ছে মাল্টিটাস্কিং। মাল্টিটাস্কিং হচ্ছে আমরা যে একটি কাজের সাথে আরো অন্যান্য কাজগুলো করার চেষ্টা করি সেটা হচ্ছে multi-tasking। যেমন আপনি ফেসবুক ব্যবহার করছেন সেখান থেকে আপনি মেসেঞ্জারে চলে গেলেন মেসেঞ্জার থেকে আপনি মেসেজের রিপ্লে দিচ্ছেন even whatsapp, imo আর ইউটিউবে ভিডিও চলছেই basically এটা হচ্ছে মাল্টিটাস্কিং।

দেখুন আমি এটা করতে আপনাদেরকে নিষেধ করছি না তবে করুন আপনার ফোনের ক্ষমতা অনুযায়ী।



দুইনাম্বার যে বিষয় সেটা হচ্ছে using heavy games।

আপনারা যারা গেম খেলতে পছন্দ করেন তারা নিশ্চয়ই অনেক ভালো গ্রাফিক্স ওয়ালা অনলাইন বা অফলাইন গেম খেলতে চান। যদি আপনার ফোনটি 1gb অথবা 512ram এর হয়ে থাকে তাহলে আপনি ভাল গ্রাফিক্স গেম খেলতে পারবেন না আর যদি আপনি খেলেন তাহলে আপনার মোবাইলটি অনেক খারাপ হয়ে যাবে এবং আপনার মোবাইলটি অল্প সময় ইউজ করলেই গরম হয়ে যাবে।



দেখুন ৩ নাম্বার যে বিষয় সেটা হচ্ছে মেটাল বডির ফোন।

দেখুন বর্তমান বাজারে যে সকল ফোন বের হচ্ছে তার অর্ধেকই হচ্ছে মেটাল বডির। আর যখন আপনি ফোন ইউজ করেন তখন ব্যাটারি অল্প হলেও গরম হয়।

যার ফলে আপনার হাতে গরম লাগে।

তো এ ক্ষেত্রে আপনি আপনার ফোনে ব্যাক কভার ব্যবহার করতে পারেন।



এখন চার নাম্বার যে অপশনটি আছে সেটি হচ্ছে আপনার ফোন এর low connection of network। আপনি যখন ইন্টারনেট ইউজ করে থাকেন তখন আপনার ফোনে wifi অথবা মোবাইল নেটওয়ার্ক যেটি আপনি ব্যবহার করে থাকেন এসেছি অনেক সময় ফুল নেটওয়ার্ক না পেয়ে থাকে। যার ফলে আপনি যে ওয়েবসাইট বা পেজে দেখতে চাচ্ছেন সেই পেজ খুঁজে দিতে আপনার নেটওয়ার্ক এর অনেক কষ্টের প্রয়োজন হয় যার ফলে আপনার ফোনটি গরম হয়ে যায়। তবে এক্ষেত্রে আপনারা যেখানে available network অথবা wifi connection পেয়েছেন বা পাবেন সেখানে আপনি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করুন।

তবে মনে রাখবেন এই সমস্যা তৈরি শুধু wifi এর ক্ষেত্রে হয় আর মোবাইল নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে হয় তবে কম কম।



5 নাম্বার যেটা আছে সেটা হচ্ছে low battery। তার মানে হচ্ছে আপনারা যখন মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন তখন দেখা যাচ্ছে মোবাইলের চার্জ কোথায় গিয়ে থামছে সেটার ওপর খেয়াল থাকে না। অনেকেরই এরকম অনেক সময় হয়েছে যে গেম খেলছেন বা মুভি দেখছেন এবং আপনার মোবাইলের চার্জ ১৫%।

আর এভাবে যদি কয়েকমাস চলতে থাকে তাহলে পরবর্তীতে battery ভালো পারফরমেন্স দিতে পারেন না।

পরবর্তিতে আপনি যখন বেশি সময় ধরে মোবাইল ব্যবহার করেন তখন আপনার ফোন গরম হয়ে যায়।

তো আপনারা চেষ্টা করবেন সবসময় আপনার মোবাইল ফোনের চার্জ যখন ৩০% অথবা ১৫% হয় তখন আপনার মোবাইল চার্জ এ দেওয়ার।



তো ৬ নাম্বার যে বিষয় সেটা হচ্ছে চার্জে লাগিয়ে ফোন ব্যবহার।

বন্ধুরা আমরা অনেকেই মোবাইলের চার্জ শেষ হলে চার্জে লাগিয়ে মোবাইল ব্যবহার করি। যার ফলে আমাদের মোবাইল অতিরিক্ত গরম হয় তার পাশাপাশি আমাদের মোবাইলের ব্যাটারি ও খারাপ হয়ে যায় এবং আমরা মোবাইল বেশি সময় ধরে ব্যবহার করতে পারি না। আমরা সবাই ই প্র‍্য জানি যে ইনপুট আউটপুট একসাথে হলে সেই যন্ত্রতে সমস্যা দেখা দেয় না নষ্ট হয়ে যায়। এটাও ঠিক ইনপুট আউটপুট এর মতো ঘটনা।

তো সবাই এই বিষয় থেকে বিরত থাকবেন।



আপডেটেড ফার্মওয়্যার অনেক ক্ষেত্রেই কিছু ল্যাগের সমস্যা দূর করে থাকে। ‘আপডেট’ এর অর্থই হচ্ছে আগের তুলনায় নতুন কিছু সুবিধা যোগ করা। আর, ফার্মওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে স্মার্টফোন ছাড়াও প্রতিটি ডিভাইসেরই কম-বেশি ক্যাপাবিলিটি বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। অনেক সময় হয়ত সেই পরিবর্তন আপনার চোখে পরবে না তবে এমন অনেক ত্রুটি মুক্ত করার জন্য স্মার্টফোনের ফার্মওয়্যার আপডেট করা জরুরী।

আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ‘রিসেট’ করুন


আমরা সবাই জানি যে ‘রিসেট’ করার অর্থ হচ্ছে ‘পুনঃস্থাপন করা’ বা ‘নতুন করে করা’, আর স্মার্টফোনের ক্ষেত্রেও ‘রিসেট’ অপশনটি ঠিক এর অর্থের মতই কাজ করে। আপনার নিশ্চয়ই মনে আছে যে আপনি যখন আপনার স্মার্টফোনটি কিনে এনেছিলেন তখন আপনার স্মার্টফোনটির অপারেটিং ছিল ভীষন স্মুথ? কিন্তু, সময়ের সাথে আপনার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনটির মধ্যে নানা রকম ফাইল জমা পরার কারনে সেই স্মার্টফোনটি হয়ে গিয়েছে ল্যাগি। এক্ষেত্রে আপনি যদি আপনার স্মার্ট ফোনটি ‘ফ্যাক্টোরি রিসেট’ করেন তবে স্মার্ট ফোনটি থেকে সব ফাইল মুছে গিয়ে ঠিক সেই প্রথম কিনে আনার দিনের মত স্মুথ হয়ে যাবে। সব ফাইল বলতে আমি আপনার ব্যবহারের জন্য যে ফাইল গুলো জমা হয়েছিল সেগুলোই বুঝাচ্ছি। কিন্তু এতে করে যেহেতু সিস্টেম ফাইল মুছে যাচ্ছেনা তাই আপনি রিসেট করার পর পাবেন একদম স্মুথ একটি স্মার্টফোন।



মাঝে মাঝেই ফোনের ইন্টারনাল স্টোরেজ চেক করুন


স্মার্ট ফোনের মেমরীর পরিমান কমে গেলে স্মার্ট ফোনে আপনি ল্যাগ অনুভব করতে পারেন। এজন্য, আপনি মাঝে মাঝে আপনার ইন্টারনাল ফাইলে জমে থাকা গেমস, অ্যাপলিকেশন, মিডিয়া ফাইল যেমন, গান, ভিডিও ইত্যাদি এক্সটার্নাল স্টোরেজ তথা মেমরী কার্ডে চালান (ট্রান্সফার) করে দিন। তবে, বেশির ভাগ লো-এন্ড স্মার্টফোনের ইন্টারনাল স্টোরেজের পরিমাণ কম হয়ে থাকে বিধায় এই টিপসটি সেই সব স্মার্ট ফোনে কাজ নাও করতে পারে।]]>

Post a Comment

0 Comments