হোয়াটস অ্যাপের জানা অজানা সকল তথ্য

হোয়াটসঅ্যাপ হচ্ছে অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস সহ বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমের স্মার্টফোনে সর্বাধিক জনপ্রিয় মেসেজিং ও ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রোটোকল পরিষেবা, শুধু চ্যাটই নয় এ মেসেঞ্জারের মাধ্যমে ছবি আদান-প্রদান, ভিডিও ও অডিও মিডিয়া বার্তাও আদান-প্রদান করা যায়। একজন ব্যবহারকারী তার মোবাইলে হোয়াটসঅ্যাপ আপ্লিকেশনটি ইন্সটল করার পর ব্যবহারকারীর ফোনে থাকা ফোন নম্বর তালিকা থেকে হোয়াটসঅ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নম্বর সিংকক্রোনাইজ করে নেয়। যার ফলে আলাদা করে নতুন করে বন্ধু তৈরি বা আইডি যোগ করার প্রয়োজন হয় না।

এছাড়াও হোয়াটসঅ্যাপের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে পিন বা ইউজার নেম প্রয়োজন পড়ে না। এসএমএসের মতো মোবাইল নম্বর ব্যবহার করেই চ্যাট চালানো যায়। এবং এতে কোনো লুকানো চার্জ নেই একজন ব্যবহারকারী দিনে যত খুশি তত মেসেজ আদান প্রদান করতে পারবেন তবে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করতে ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে। হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, হোয়াটসঅ্যাপের ব্যবহার করে যত সংখ্যক বার্তা পাঠানো হচ্ছে তা সারা বিশ্বে টেলিকমে এসএমএসের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।



নির্মাণকারী দল/সংস্থা

হোয়াটস অ্যাপে কে তৈরি করা হয়েছিলো ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে 


মুক্তি ও সংস্করণ
হোয়াটসঅ্যাপ কে সর্ব প্রথম ২০০৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ক্যালিফোর্নিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করেন এর সহ প্রতিষ্ঠাতা জান কাউম, পরে আগস্ট মাসে শুরুতে অ্যাপ ষ্টোরে পাবলিশ করেন আইওএস এর সংস্করণ, এবং একি বছর অক্টোবর মাসে গুগল প্লে ষ্টোরে পাবলিশ করা হয় হোয়াটসঅ্যাপ এন্ড্রয়েড ভার্সন। শুরুতে শুধু চ্যাটিং অপশন থাকলেও ডিসেম্বর মাসে যুক্ত করা হয় ফটো আদান প্রদানের করার অপশন, এবং সর্বশেষ যুক্ত করা হয় ভিডিও কলের ফিচারটি।
হোয়াটসঅ্যাপের এন্ড্রয়েড ভার্সনটি সর্বশেষ আপডেট করা হয়েছে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ২২ তারিখে যার বর্তমান সাইজ ২৮.৯২ মেগাবাইট, এবং আইওএস ভার্সনটি আপডেট করা হয়েছে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ১১ তারিখে যার বর্তমান সাইজ ১৩২.৪ মেগাবাইট।


আয় এবং ব্যয়
তথ্য সুত্রে জানা গেছে এখন পর্যন্ত এ প্রতিষ্ঠানটির পেছনে ১০০-১৫০ কোটি ডলারের মতো বিনিয়োগ করা হয়েছে কিন্তু হোয়াটসঅ্যাপের ব্যবসার মডেল কী রকম আর কীভাবে আয় করে এই বিষয়টি এখনো পরিষ্কার নয়, বিজ্ঞাপন থেকে আয় করার বিষয়টি নিয়েও কোনো পরিকল্পনা নেই কর্তৃপক্ষের তবে প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা ধারণা করেন এর মূল আয় হচ্ছে সাবসক্রিপশন ফি। আবার অনেকেই মনে করেন ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনা থেকেও আয় করে হোয়াটসঅ্যাপ। কিন্তু গ্রাহকদের তথ্য বিক্রি বা গ্রাহকদের তথ্য বিশ্লেষণ করে অন্য প্রতিষ্ঠানকে কোনো সেবা তৈরি করতে দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন হোয়াটসঅ্যাপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার জ্যান কউম।



প্রাথমিক পর্যালোচনা
যার সদরদপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যে ক্যালিফোর্নিয়া সান্তা ক্লারা কাউন্টির মাউন্টেইন ভিউ শহরে অবস্থিত, বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপের মালিক হচ্ছে ফেসবুক, ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি, মাসে প্রায় ১৫০ কোটি ডলারে হোয়াটসঅ্যাপ কিনে নেয় ফেসবুক, তবে এখনো হোয়াটসঅ্যাপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদে নিযুক্ত আছে এর সহ প্রতিষ্ঠাতা জ্যান কউম, এবং তার আওতাধীন হোয়াটসঅ্যাপের হয়ে কাজ করছেন আরো ৫০ জন কর্মচারী।

অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
হোয়াটস অ্যাপের নিজস্ব একটি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট রয়েছে যেখান থেকে একজন সাধারণ ব্যবহারাকারী হোয়াটস অ্যাপে সম্পর্কিত সকল প্রশ্ন উত্তর, হোয়াটস অ্যাপের বিভিন্ন ফিচার, আপডেট, নিউজ সহ সব কিছুই জানতে পারবেন খুব সহজেই, এছাড়াও এই ওয়েবসাইট আপনি যদি চান এ



Post a Comment

0 Comments