আর্টিকেল রাইটিং সম্পর্কিত সকল তথ্য!

আপনার যদি নূন্যতম পড়াশুনা থাকে তাহলেই আপনি যেকোনো বিষয়ে আর্টিকেল লিখতে পারবেন, তবে যদি একজন পেশাদার রাইটার হতে চান এবং অনলাইনে আপনার লেখা পাবলিশ করতে চান তাহলে কিছু নিয়ম কানুন মানতে হবে, বিশেষ করে আপনার লেখাটি রিডিং ফ্রেন্ডলি এবং এসইও ফ্রেন্ডলি হতে হবে, আপনার লেখা আর্টিকেলটি যদি রিডিং ফ্রেন্ডলি না হয় সেটা যদি দেখতে সুন্দর না হয় তাহলে ভিজিটর সেই আর্টিকেলটি পড়তে এতটা গুরুত্ব দেবে না আবার আপনার লেখা আর্টিকেল টি যদি এসইও ফ্রেন্ডলি না হয় তাহলে সেটা গুগলের সার্চ রেজাল্টে আসবে না আর সার্চ রেজাল্টে না আসলে ভিজিটর ও আসবে না। এছাড়াও একটি আর্টিকেল রাইটিং করার ক্ষেত্রে আরো কিছু নিয়ম কানুন আছে, আজ আপনাদের সাথে


আর্টিকেল রাইটিং সম্পর্কিত সকল তথ্য!



আর্টিকেল কত প্রকার ও কি কি?

আর্টিকেল দুই প্রকার একটি হচ্ছে রিভিউ টাইপ আরেকটি হচ্ছে টিউটোরিয়াল টাইপ, রিভিউ টাইপ কন্টেন্ট হচ্ছে কোনো পোডাক্ট বা বস্তু সম্পর্কে পর্যালোচনা করা, যেমন ফেসবুক কি এটা হচ্ছে রিভিউ টাইপ কনটেন্ট, আর কিভাবে ফেসবুক একাউন্ট খুলবেন? এটা হচ্ছে টিউটোরিয়াল টাইপ কনটেন্ট। 


সবথেকে কঠিন হচ্ছে টিউটোরিয়াল টাইপ কনটেন্ট লেখা, আপনি যদি কোনো টিউটোরিয়াল টাইপ কনটেন্ট লিখতে চান তাহলে সেই বিষয়ে আপনার আগে থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। আর যদি কোনো রিভিউ টাইপ কনটেন্ট লিখতে চান তাহলে সেই পোডাক্ট বা বস্তু সম্পর্কে কিছু সময় রিচার্স করলে অাপনি একটি রিভিউ টাইপ কনটেন্ট লিখতে পারবেন।




টাইটেল রিচার্স

এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখার জন্য বেশ কিছু নিয়ম মানতে হবে তার মধ্যে সবার প্রথম হচ্ছে টাইটেল রিচার্স, সবসময় চেষ্টা করবেন ৫-৬ ওয়ার্ডের মধ্যে ইনফর্মেটিভ একটি টাইটেল দেওয়ার চেষ্টা করবেন। এবং একজন ভিজিটর যেনো আপনার টাইটেল দেখেই বুঝতে পারে যে আপনার আর্টিকেলের মধ্যে কি কি আছে। অনেকে আবার টাইটেল ছোট করতে গিয়ে এমন কিছু লিখেন যেটা রিডিং



সঠিক তথ্য প্রকাশ করা

আপনার লেখা আর্টিকেলে যেন কোনো ভুল তথ্য না থাকে একজন ভিজিটর যখন আপনার লিখা আর্টিকেল পড়বে তখন যদি সে দেখে আপনার আর্টিকেলে ভুল তথ্য দেখে তাহলে সে খারাপ মন্তব্য করবে আর যদি সব তথ্য সঠিক থাকে তাহলে সে নিজেই আপনার এই আর্টিকেলের মার্কেটিং করবে। 




অর্থবহ কন্টেন্ট

একজন কনটেন্ট রাইটারের প্রধান ফোকাস থাকতে হবে ভিজিটরদের চাহিদার ওপর, অর্থাৎ যেই বিষয় বস্তুর প্রতি মানুষের চাহিদা আছে এবং যে বিষয় গুলো মানুষ গুগলে সার্চ করে সেই সমস্ত কন্টেন্ট রাইটিং করা। 



শুদ্ধ বানান 

আপনি যেই ভাষাতেই আর্টিকেল লিখেন না কেনো সব সময় চেষ্টা করবেন শুদ্ধ ভাষায় লেখার জন্য কিছুতেই যেনো আপনার লেখা আর্টিকেলের কোনো শব্দের বানান যেনো ভুল না হয়।



চিহ্নের সঠিক ব্যবহার

একটি আর্টিকেলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে দাড়ি কমার সঠিক ব্যাবহার সো এই বিসয়টার দিকেও নজর রাখতে হবে যে কোথায় দাড়ি হবে এবং কোথায় কমা হবে। 



প্যারাগ্রাফ নির্ধারণ করা

আপনার আর্টিকেল টি যদি ১০০০ ওয়ার্ডের হয় তাহলে আপনি সেই আর্টিকেলেকেন ৫-৬ টি প্যারাগ্রাফ রাখবেন, সেক্ষেত্রে একজন ভিজিটর আপনার আর্টিকেল টি খুব সুন্দর করে পরতে ও বুঝতে পারবে।






Post a Comment

0 Comments